ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বি এস নিউজ24
সর্বশেষ

যশোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে কাভার্ড ভ্যান / যশোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে কাভার্ড ভ্যান, প্রাণ গেল হেলপারের

যশোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে কাভার্ড ভ্যান, প্রাণ গেল হেলপারের। যশোরের শার্শায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ড ভ্যান গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আরিফ হোসেন (৩০) নামে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খাজুরা মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আরিফ হোসেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা।নাভারন হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিছুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা থেকে মুরগির বাচ্চা নিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি যশোরের দিকে যাচ্ছিল। পথে খাজুরা মসজিদের সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় কাভার্ড ভ্যানটি মহাসড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়।দুর্ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের হেলপার আরিফ হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. সুখেন্দু কুমার মজুমদার জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আরিফ হোসেনকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি। নাভারন হাইওয়ে থানার এসআই আনিছুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই কাভার্ড ভ্যানের চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ড ভ্যানটি হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ফেনীতে চেকপোস্টে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি কর্মকর্তা নিহত / ফেনীতে চেকপোস্টে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি কর্মকর্তা নিহত

আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ বললেন রাশেদ খাঁন, বিচার দাবি। জামায়াতে ইসলামী নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ আখ্যা দিয়ে তাঁর বিচার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।শনিবার (৩ অক্টোবর) কক্সবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন আখতারুজ্জামানকে নিয়ে এ মন্তব্য করেন। একই সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা এবং জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।রাশেদ খাঁনের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেওয়া এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টেও রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আন্দোলন চলাকালে একটি টকশোতে আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামী ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন এবং তাঁকেও ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছিলেন।রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা এবং তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও আখতারুজ্জামান পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের ব্যক্তিদের দলে নেওয়ার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরোধী ব্যক্তিদের তালিকা করা প্রয়োজন।এদিকে শনিবারের বক্তব্যে রাশেদ খাঁন সরাসরি আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ উল্লেখ করে তাঁর বিচার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ১ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরদিন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৩ অক্টোবর বিমানবন্দর থানার ওই মামলায় আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

বাসভাড়া কমানো ও শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের দাবিতে ৬ অক্টোবর সড়ক অবরোধের ঘোষণা,বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার / বাসভাড়া কমানো ও শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের দাবিতে ৬ অক্টোবর সড়ক অবরোধের ঘোষণা

আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ বললেন রাশেদ খাঁন, বিচার দাবি। জামায়াতে ইসলামী নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ আখ্যা দিয়ে তাঁর বিচার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।শনিবার (৩ অক্টোবর) কক্সবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন আখতারুজ্জামানকে নিয়ে এ মন্তব্য করেন। একই সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা এবং জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।রাশেদ খাঁনের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেওয়া এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টেও রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আন্দোলন চলাকালে একটি টকশোতে আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামী ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন এবং তাঁকেও ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছিলেন।রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা এবং তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও আখতারুজ্জামান পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের ব্যক্তিদের দলে নেওয়ার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরোধী ব্যক্তিদের তালিকা করা প্রয়োজন।এদিকে শনিবারের বক্তব্যে রাশেদ খাঁন সরাসরি আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ উল্লেখ করে তাঁর বিচার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ১ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরদিন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৩ অক্টোবর বিমানবন্দর থানার ওই মামলায় আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

সাংবাদিক আসাদ সবুজকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি / সাংবাদিক আসাদ সবুজকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ বললেন রাশেদ খাঁন, বিচার দাবি। জামায়াতে ইসলামী নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ আখ্যা দিয়ে তাঁর বিচার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।শনিবার (৩ অক্টোবর) কক্সবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন আখতারুজ্জামানকে নিয়ে এ মন্তব্য করেন। একই সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা এবং জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।রাশেদ খাঁনের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেওয়া এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টেও রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আন্দোলন চলাকালে একটি টকশোতে আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামী ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন এবং তাঁকেও ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছিলেন।রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা এবং তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও আখতারুজ্জামান পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের ব্যক্তিদের দলে নেওয়ার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরোধী ব্যক্তিদের তালিকা করা প্রয়োজন।এদিকে শনিবারের বক্তব্যে রাশেদ খাঁন সরাসরি আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ উল্লেখ করে তাঁর বিচার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ১ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরদিন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৩ অক্টোবর বিমানবন্দর থানার ওই মামলায় আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

যশোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে কাভার্ড ভ্যান, প্রাণ গেল হেলপারের

যশোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে কাভার্ড ভ্যান, প্রাণ গেল হেলপারের

ফেনীতে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে, সংবাদ সম্মেলন

ফেনীতে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে, সংবাদ সম্মেলন

সাংবাদিকদের ওপর অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান,সভাপতি আহমেদ আবু জাফর

সাংবাদিকদের ওপর অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান,সভাপতি আহমেদ আবু জাফর

ফেনীতে চেকপোস্টে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি কর্মকর্তা নিহত

ফেনীতে চেকপোস্টে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি কর্মকর্তা নিহত

বাসভাড়া কমানো ও শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের দাবিতে ৬ অক্টোবর সড়ক অবরোধের ঘোষণা

বাসভাড়া কমানো ও শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের দাবিতে ৬ অক্টোবর সড়ক অবরোধের ঘোষণা

সাংবাদিক আসাদ সবুজকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

সাংবাদিক আসাদ সবুজকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ বললেন রাশেদ খাঁন

আখতারুজ্জামানকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ বললেন রাশেদ খাঁন

বিমানবন্দর থানার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড

বিমানবন্দর থানার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড

ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৭ জন

ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৭ জন

বাংলাদেশ অনলাইন গণমাধ্যম প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদের সংশোধিত আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ

বাংলাদেশ অনলাইন গণমাধ্যম প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদের সংশোধিত আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

সব বিভাগের খবর

রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন নানার বাড়ি, ফেনী ফুলগাজীতে / রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছেন নানার বাড়ি, ফেনী ফুলগাজীতে

রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন নানার বাড়ি, ফেনী ফুলগাজীতেরাত পোহালেই নানার বাড়ি ফেনীর ফুলগাজীতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে দুই উপজেলাজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন ১ম পর্যায় প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।প্রকল্পটির আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাশয় পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফেনীর সীমান্তবর্তী পরশুরাম, ফুলগাজীসহ আশপাশের এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।পরশুরামের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী উপজেলায় যাবেন। সেখানে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় স্থাপিত রুফটপ সোলার সিস্টেম থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তিনি।পরে বিকেল ৩টার দিকে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ফুলগাজী ও পরশুরামে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও প্রকল্প উদ্বোধনস্থলে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর ফুলগাজী সফরকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনার বড় প্রকল্পের উদ্বোধন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পটির বাস্তবায়নের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

আওয়ামী দো/সরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশ পাবে পুরস্কার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / আওয়ামী দো/সরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশ পাবে পুরস্কার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশকে পুরস্কার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআওয়ামী লীগের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের যারা আইনের আওতায় আনতে পারবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এর আগের দিন আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন তিনি।এ সময় পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তিকে সহযোগিতার অভিযোগের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, পুলিশের কোনো সদস্য শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে বা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের কাছে তাদের ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ওই অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম / জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়লো

জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়লো। দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন মূল্য ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।নতুন নির্ধারিত দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল।জ্বালানি বিভাগের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি তেল পরিবহনের ফ্রেইট চার্জও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশের বাজারে সে অনুযায়ী দাম সমন্বয় করা হয়নি।এর ফলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বেশি দামে জ্বালানি তেল কিনে দেশের বাজারে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এতে বিপিসির লোকসান দ্রুত বেড়েছে।জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী দেশে ডিজেল বিক্রিতে প্রতি লিটারে বিপিসির প্রায় ৮৯ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছিল। এতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিল প্রতিষ্ঠানটি।সরকারের হিসাবে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বিপিসির লোকসান আরও বাড়তে পারত। নতুন মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির লোকসান কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি তেল আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পেছনে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে দামের পার্থক্যকেও একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সরকার। বাংলাদেশে তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হওয়ায় সীমান্তপথে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরপর জুনে কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম আরও বাড়ানো হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের শুরুতে দাম অপরিবর্তিত ছিল। এবার আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি ও বিপিসির আর্থিক ক্ষতির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একসঙ্গে লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হলো।জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও পণ্য পরিবহন খাতে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বাড়ায় বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন ডিজেলচালিত যানবাহনের পরিচালন ব্যয় বাড়তে পারে। এর প্রভাব উৎপাদন ও পণ্য পরিবহন ব্যয়ের ওপর পড়ার পাশাপাশি বাজারদরেও চাপ তৈরি করতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, বিপিসির বড় অঙ্কের লোকসান, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ এবং সীমান্তপথে জ্বালানি পাচারের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়েই এবার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে বাংলাদেশ / পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে বাংলাদেশ, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে বাংলাদেশ, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে ইউনিটটির কমিশনিং কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বাংলাদেশ নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ।রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হয় চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল। এরপর রিঅ্যাক্টর, প্রাইমারি সার্কিট, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কমিশনিং কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কমিশনিং লাইসেন্সও দেওয়া হয় ।রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা হচ্ছে রাশিয়ার তৈরি ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর। প্রথম ইউনিটে মোট ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি স্থাপন করা হয়েছে। কমিশনিং পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন অবস্থায় নিয়ে গিয়ে এর কার্যক্ষমতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম পরীক্ষা করা হচ্ছে ।তবে প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ এবং কমিশনিং শুরু হলেও এর অর্থ এই নয় যে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় গ্রিডে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়ে গেছে। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করার আগে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি পরীক্ষা, নিরাপত্তা যাচাই ও কমিশনিংয়ের ধাপ সম্পন্ন করতে হবে ।এর আগে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিভিন্ন সময়সূচি জানানো হয়েছিল। তবে কারিগরি বিষয় ও পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে নিরাপত্তা ও কারিগরি মান নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় ।রূপপুর প্রকল্পের মোট চুক্তিমূল্য ছিল প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রকল্পের অর্থায়নের বড় অংশ রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ঋণের মাধ্যমে এবং বাকি অংশ বাংলাদেশের অর্থায়নে করা হচ্ছে। পরবর্তীতে প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয়ও বাড়ানো হয়েছে ।পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ জনবল, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে।রূপপুর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সঞ্চালন অবকাঠামোও গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রটির উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্যভাবে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট সঞ্চালনব্যবস্থার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা প্রয়োজন । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ এবং কমিশনিং কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নিরাপত্তা যাচাই ও কারিগরি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের দিকে এগিয়ে যাবে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এসআরবি / র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এস আর বি

র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এসআরবিরনিজস্ব প্রতিবেদক । র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে নতুন এই ইউনিটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে র‌্যাব বিলুপ্তির বিষয়টি কার্যকর করা হয়। নতুন আইনের আওতায় র‌্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে এসআরবি গঠন করা হয়েছে।এসআরবির মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, গেজেট প্রকাশের পর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকেই নতুন নামে বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিন সদর দপ্তরে সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি নতুন ইউনিটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ঘোষণা করেন।নতুন আইনের আওতায় র‌্যাবের জনবল, সম্পদ, স্থাপনা, অর্থ, নথিপত্র, চুক্তি, দায়-দায়িত্ব এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার একটি বড় অংশ এসআরবির কাঠামোর মধ্যে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাবের অধীনে চলমান বিভাগীয় ও আদালতের কার্যক্রমও বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।নতুন কাঠামোয় এসআরবি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। আইন অনুযায়ী অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার এবং আইনসম্মতভাবে সম্পদ জব্দসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা থাকবে ইউনিটটির। নতুন আইনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও তদারকির বিষয়েও বিধান রাখা হয়েছে।এসআরবির নতুন পরিচয়ের সঙ্গে বাহিনীর লোগো, পতাকা, মনোগ্রাম ও পোশাক পরিবর্তনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত লোগোর নকশা আগের র‌্যাবের লোগোর মতোই রয়েছে, শুধু ‘RAB’-এর পরিবর্তে ‘SRB Bangladesh’ লেখা হয়েছে। সরকারি অনুমোদনের পর লোগো, পতাকা, মনোগ্রাম ও ইউনিফর্মে পরিবর্তন আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।২০০৪ সালে গঠিত র‌্যাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। একই সঙ্গে বাহিনীটির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের অভিযোগ নিয়ে দেশ-বিদেশে আলোচনা ও সমালোচনা ছিল। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাব ও এর কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।র‌্যাবের পরিবর্তে এসআরবি গঠনের বিল জাতীয় সংসদে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পাস হয়। এরপর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নতুন আইনি কাঠামো কার্যকর করা হয়। নতুন বাহিনীকে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন এসআরবির মহাপরিচালক।এদিকে নতুন বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন ও আপত্তিও ওঠে। তাদের বক্তব্য ছিল, র‌্যাবের জনবল ও অবকাঠামোর বড় অংশ নতুন ইউনিটে স্থানান্তর করা হলে কেবল নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরোনো কাঠামো বহাল থাকার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসআরবি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে গঠিত একটি পৃথক বিশেষায়িত ইউনিট এবং এতে জবাবদিহি ও তদারকির নতুন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের র‌্যাব অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলো।

পবিত্র ওমরা পালনে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল আলিম / পবিত্র ওমরা পালনে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক মো আব্দুল আলিম

পবিত্র ওমরা পালনে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল আলিম। নিজস্ব প্রতিবেদক :পবিত্র ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল আলিম। আজ তিনি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন।জানা গেছে, পবিত্র ওমরা পালনের জন্য তিনি আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করবেন। এ সময় তিনি পবিত্র মক্কা ও মদিনায় অবস্থান করে ওমরার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।এদিকে, এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল আলিমের সৌদি আরব যাত্রার আগে তাকে বিদায় জানাতে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং দলের নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন। তারা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সৌদি আরবে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান এবং সুস্থভাবে দেশে ফেরার জন্য শুভকামনা জানান।পরিবারের সদস্য ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন এবং সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন । 

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন নানার বাড়ি, ফেনী ফুলগাজীতে / রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছেন নানার বাড়ি, ফেনী ফুলগাজীতে

রাত পোহালেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন নানার বাড়ি, ফেনী ফুলগাজীতেরাত পোহালেই নানার বাড়ি ফেনীর ফুলগাজীতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে দুই উপজেলাজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন ১ম পর্যায় প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।প্রকল্পটির আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাশয় পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফেনীর সীমান্তবর্তী পরশুরাম, ফুলগাজীসহ আশপাশের এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।পরশুরামের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী উপজেলায় যাবেন। সেখানে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় স্থাপিত রুফটপ সোলার সিস্টেম থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তিনি।পরে বিকেল ৩টার দিকে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ফুলগাজী ও পরশুরামে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও প্রকল্প উদ্বোধনস্থলে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর ফুলগাজী সফরকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনার বড় প্রকল্পের উদ্বোধন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পটির বাস্তবায়নের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

আওয়ামী দো/সরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশ পাবে পুরস্কার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / আওয়ামী দো/সরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশ পাবে পুরস্কার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশকে পুরস্কার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআওয়ামী লীগের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের যারা আইনের আওতায় আনতে পারবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এর আগের দিন আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন তিনি।এ সময় পুলিশ বাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তিকে সহযোগিতার অভিযোগের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, পুলিশের কোনো সদস্য শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে বা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের কাছে তাদের ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ওই অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে বাংলাদেশ / পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে বাংলাদেশ, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ

র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এসআরবি / র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এস আর বি

পবিত্র ওমরা পালনে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল আলিম / পবিত্র ওমরা পালনে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক মো আব্দুল আলিম

দেশের সব মাদ্রাসাকে মনিটরিং এর আওতায় আনা হবে অর্থাৎ সরকারি পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার উদ্যোগ, ববি হাজ্জাজ / দেশের সব মাদ্রাসাকে সরকারি পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার উদ্যোগ, ববি হাজ্জাজ

ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সমস্যা সমাধানে এমপিদের আশ্বাস / ফেনীর জেনারেল হাসপাতালের সমস্যা সমাধানে এমপিদের আশ্বাস

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার কৃতিত্ব জনগণের, এই অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার কৃতিত্ব জনগণের

জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার কৃতিত্ব জনগণের, এই অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার মূল কৃতিত্ব দেশের সাধারণ জনগণের বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন জনগণের সাহস, ত্যাগ ও ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের কারণেই জুলাই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে এবং এই গৌরব বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্মরণে রাখবে । তিনি বলেন , দেশের সংকটময় সময়ে জনগণ যে ঐক্য, ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা জাতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। জনগণের আত্মত্যাগ ও গণআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান । প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয় , এটি ছিল জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এই আন্দোলনের সফলতা দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্জন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে । তিনি দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান । 

দিনভর ফেনীতে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান / ২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত

২০ বছর পর আবার ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দিনভর নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

বাঁধাকপি সবজির উপকারিতা / বাঁধাকপি সবজির উপকারিতা ও মানবদেহে এর ভূমিকা

বাঁধাকপি সবজির উপকারিতা ও মানবদেহে এর ভূমিকা। সাথী আক্তার বাঁধাকপি আমাদের দেশের একটি পরিচিত ও সহজলভ্য শীতকালীন সবজি। এটি শুধু সুস্বাদু নয়, বরং বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ, খাদ্যআঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। নিয়মিত পরিমাণমতো বাঁধাকপি খাওয়া শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।বাঁধাকপির পুষ্টিগুণবাঁধাকপিতে প্রধানত ভিটামিন C, ভিটামিন K, ফোলেট (ভিটামিন B9), ভিটামিন E, খাদ্যআঁশ এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এতে অল্প পরিমাণে বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। বাঁধাকপি তুলনামূলকভাবে কম ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার একটি ভালো অংশ হতে পারে।মানবদেহে বাঁধাকপির উপকারিতা১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: বাঁধাকপির ভিটামিন C শরীরের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহায়তা করে।২. হজমশক্তি বৃদ্ধি: এতে থাকা খাদ্যআঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে।৩. হাড়ের স্বাস্থ্য: বাঁধাকপির ভিটামিন K হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুরক্ষা: বাঁধাকপিতে থাকা বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগ শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে।৫. ওজন নিয়ন্ত্রণ: কম ক্যালরি ও খাদ্যআঁশ থাকার কারণে বাঁধাকপি স্বাস্থ্যকর ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।৬. হৃদ্‌স্বাস্থ্যে সহায়ক: বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি সমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বাঁধাকপি এমন একটি সবজি যা এই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।৭. ক্যানসারের ঝুঁকি নিয়ে সম্ভাব্য উপকার: বাঁধাকপি ক্রুসিফেরাস গোত্রের সবজি। এতে গ্লুকোসিনোলেটসহ কিছু উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে, যেগুলো নিয়ে ক্যানসার প্রতিরোধের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। তবে বাঁধাকপি কোনো ক্যানসারের চিকিৎসা বা নিশ্চিত প্রতিরোধের উপায় নয়।বাঁধাকপি খাওয়ার উপযুক্ত পদ্ধতিবাঁধাকপি ভালোভাবে পরিষ্কার করে অল্প তেলে রান্না, ভাপ দিয়ে বা অন্যান্য সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়। অতিরিক্ত সময় ধরে রান্না না করাই ভালো, কারণ এতে কিছু পুষ্টি উপাদান কমে যেতে পারে।সতর্কতাঅতিরিক্ত বাঁধাকপি খেলে কিছু মানুষের গ্যাস, পেট ফাঁপা বা হজমের অস্বস্তি হতে পারে। যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ভিটামিন K-সমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণে বড় পরিবর্তন করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।উপসংহার বাঁধাকপি একটি পুষ্টিকর, সহজলভ্য ও উপকারী সবজি। এতে থাকা ভিটামিন, খাদ্যআঁশ ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হজম, হাড়ের স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক পুষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবে পরিমাণমতো বাঁধাকপি ও অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি খাওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

মানবদেহে পাকা পেঁপের উপকারিতা ও গুরুত্ব

প্রতিবেদনবিষয় : মানবদেহে পাকা পেঁপের উপকারিতা ও গুরুত্ব। পাকা পেঁপে একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এতে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ, খাদ্যআঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে পাকা পেঁপে শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।পুষ্টিগুণপাকা পেঁপেতে প্রধানত রয়েছে ভিটামিন C  রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে। ভিটামিন A-এর পূর্বসূরি বিটা-ক্যারোটিন  চোখ ও ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন B6 ও ফোলেট  কোষ ও বিপাকীয় কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। ভিটামিন E ও K  শরীরের বিভিন্ন স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম  পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যআঁশ  হজম ও মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। পাকা পেঁপের প্রধান উপকারিতা১. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে  খাদ্যআঁশ ও পানির কারণে মলত্যাগ সহজ হতে পারে। ২. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সমর্থন করে  ভিটামিন C ও A-এর পূর্বসূরি উপাদান রয়েছে। ৩. চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী  বিটা ক্যারোটিন থেকে শরীর ভিটামিন A তৈরি করতে পারে। ৪. ত্বকের স্বাস্থ্যে সহায়ক  ভিটামিন C কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ৫. হজমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে খাদ্যআঁশ ও পানি এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে  এটি তুলনামূলক কম-ক্যালরিযুক্ত ও আঁশযুক্ত ফল। ৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে  পেঁপেতে বিভিন্ন ক্যারোটিনয়েড ও উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে।কোন সমস্যায় উপকারীপাকা পেঁপে বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্য, খাদ্যআঁশের ঘাটতি এবং পর্যাপ্ত ভিটামিন C ও প্রোভিটামিন A গ্রহণের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।তবে পেঁপে কোনো রোগের ওষুধ নয় এবং শুধু পেঁপে খেয়ে ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, লিভার বা কিডনির রোগসহ কোনো গুরুতর রোগ নিরাময় করা যায় না।সতর্কতাঅতিরিক্ত পেঁপে খেলে কারও কারও পেট ফাঁপা বা পাতলা পায়খানা হতে পারে। পেঁপেতে অ্যালার্জি থাকলে এটি এড়িয়ে চলতে হবে। গর্ভাবস্থায় কাঁচা বা আধাপাকা পেঁপে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।উপসংহারপাকা পেঁপে ভিটামিন, খনিজ, খাদ্যআঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি স্বাস্থ্যকর ফল। পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পাকা পেঁপে রাখলে শরীরের স্বাভাবিক পুষ্টি ও সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। সারকথা: পাকা পেঁপে রোগের ওষুধ নয়, তবে সুস্থ ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেয়ার পরে কেটে ফেলতে হচ্ছে জুলাই যোদ্ধা নাবিলের ডান পা / কেটে ফেলতে হচ্ছে জুলাই যোদ্ধা নাবিলের ডান পা

দীর্ঘদিন উন্নত চিকিৎসা নেয়ার পরে কেটে ফেলতে হচ্ছে জুলাই যোদ্ধা নাবিলের ডান পা । ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর কদমতলী থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হওয়া জুলাই যোদ্ধা নাবিলের ডান পা কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন থাইল্যান্ডের চিকিৎসকরা ।নাবিলের বাবা সিদ্দিকুর রহমান জানান থাইল্যান্ডে চিকিৎসকরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর নাবিলের গুলিবিদ্ধ ডান পা কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকদের এমন পরামর্শে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে নাবিলের পরিবার।দীর্ঘ ২১ মাস চিকিৎসার পরও নাবিলের শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এখন তার ডান পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা নাবিলের সুস্থতা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন ।

বাগেরহাটের শরণখোলায় ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসক / বাগেরহাটের শরণখোলায় ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা

বাগেরহাটের শরণখোলায় ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা সেবা । বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মাহমুদুল হাসান নামে এক ব্যক্তি ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং বৈধ সনদ না থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো বৈধ বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) নিবন্ধন নেই। তারপরও তিনি নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা প্রদান করছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে । সূত্র জানায়, এর আগেও একই অভিযোগে মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। হেলাল খান নামে এক ভুক্তভোগীর করা মামলায় তিনি ২১ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করেন। কিন্তু জেল থেকে বের হওয়ার পরও তার কার্যক্রম বন্ধ হয়নি; বরং আগের মতোই চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন । গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শরণখোলায় অভিযান চালিয়ে তার কার্যক্রমে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতি খুঁজে পায়। এরপরও প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে, গত ৪ মে ২০২৬ বিকেলে সাংবাদিকরা তার চেম্বারে গিয়ে বক্তব্য নিতে চাইলে এক ভিন্ন চিত্র সামনে আসে। সেখানে তার পক্ষ নিয়ে উপস্থিত হন এক রাজনৈতিক দলের নেতা। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ছত্রছায়ায় থেকেই তিনি এই অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।