ঢাকা    রোববার, ২৪ মে ২০২৬
বি এস নিউজ24
সর্বশেষ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট / ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী ও পরিবহন চালকরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা পশুর হাট ও বাড়তি যানবাহনের চাপে সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, পরিবহন চালক ও সাধারণ মানুষ।সড়ক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসানো এবং ঈদকে ঘিরে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ট্রাক, বাস, প্রাইভেটকার ও পশুবাহী যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীরা জানান, স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেই কয়েক ঘণ্টা সময় লাগছে। অনেক যাত্রী যানজটে আটকে থেকে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তীব্র গরমে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের কষ্ট আরও বেড়ে গেছে।পরিবহন চালকরা অভিযোগ করেন, মহাসড়কের পাশে অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে পশুর হাট বসানো এবং সড়কে গরুবাহী ট্রাকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণেই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ঈদের আগমুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ / খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, তোলপাড় বোয়ালমারীতে

প্রসূতি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ফেনীতে মানববন্ধন, দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ফেনীর ওয়ানস্টপ মেটারনিটি ক্লিনিকে প্রসূতি নারী নাইমা আক্তার লিজার মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে ফেনী শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন নিহতের আত্মীয়স্বজন ও সচেতন নাগরিক সমাজ।গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ওয়ানস্টপ মেটারনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রসূতি নারী নাইমা আক্তার লিজার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অবহেলা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লিজার মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে পরিবারটি চরম হতাশা ও বিচারহীনতার শঙ্কায় ভুগছে।বক্তারা আরও বলেন, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে যদি কোনো মায়ের প্রাণ ঝরে যায়, তবে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা “লিজা হত্যার বিচার চাই, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে, চিকিৎসা অবহেলার বিচার চাই” ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন।এ সময় বক্তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে বাংলাভিশন সাংবাদিকের উপর হামলা চালায় পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা / বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ

প্রসূতি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ফেনীতে মানববন্ধন, দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ফেনীর ওয়ানস্টপ মেটারনিটি ক্লিনিকে প্রসূতি নারী নাইমা আক্তার লিজার মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে ফেনী শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন নিহতের আত্মীয়স্বজন ও সচেতন নাগরিক সমাজ।গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ওয়ানস্টপ মেটারনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রসূতি নারী নাইমা আক্তার লিজার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অবহেলা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লিজার মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে পরিবারটি চরম হতাশা ও বিচারহীনতার শঙ্কায় ভুগছে।বক্তারা আরও বলেন, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে যদি কোনো মায়ের প্রাণ ঝরে যায়, তবে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা “লিজা হত্যার বিচার চাই, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে, চিকিৎসা অবহেলার বিচার চাই” ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন।এ সময় বক্তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

অনলাইন জুয়ায় প্রতিদিন লেনদেন দুই কোটি টাকা / অনলাইন জুয়ায় প্রতিদিন লেনদেন দুই কোটি টাকা, বিদেশে পাচার হচ্ছে অর্থ, সিআইডি প্রধান

প্রসূতি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ফেনীতে মানববন্ধন, দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ফেনীর ওয়ানস্টপ মেটারনিটি ক্লিনিকে প্রসূতি নারী নাইমা আক্তার লিজার মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে ফেনী শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন নিহতের আত্মীয়স্বজন ও সচেতন নাগরিক সমাজ।গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ওয়ানস্টপ মেটারনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রসূতি নারী নাইমা আক্তার লিজার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অবহেলা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লিজার মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে পরিবারটি চরম হতাশা ও বিচারহীনতার শঙ্কায় ভুগছে।বক্তারা আরও বলেন, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে যদি কোনো মায়ের প্রাণ ঝরে যায়, তবে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা “লিজা হত্যার বিচার চাই, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে, চিকিৎসা অবহেলার বিচার চাই” ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন।এ সময় বক্তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী ও পরিবহন চালকরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী ও পরিবহন চালকরা

নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকছে ভারতীয় গরু, ক্ষতির শঙ্কায় দেশীয় খামারিরা

নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকছে ভারতীয় গরু, ক্ষতির শঙ্কায় দেশীয় খামারিরা

রামিসার শ্রেণীকক্ষে অঝোরে কাঁদলেন বাবা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন সহপাঠীরাও

রামিসার শ্রেণীকক্ষে অঝোরে কাঁদলেন বাবা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন সহপাঠীরাও

খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, তোলপাড় বোয়ালমারীতে

খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, তোলপাড় বোয়ালমারীতে

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ

অনলাইন জুয়ায় প্রতিদিন লেনদেন দুই কোটি টাকা, বিদেশে পাচার হচ্ছে অর্থ, সিআইডি প্রধান

অনলাইন জুয়ায় প্রতিদিন লেনদেন দুই কোটি টাকা, বিদেশে পাচার হচ্ছে অর্থ, সিআইডি প্রধান

প্রসূতি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ফেনীতে মানববন্ধন, দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রসূতি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ফেনীতে মানববন্ধন, দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

চাঁদপুর সদর উপজেলার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চাঁদপুর সদর উপজেলার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফেনীতে লালপোল ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে এনসিপির মানববন্ধন

ফেনীতে লালপোল ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবিতে এনসিপির মানববন্ধন

ফেনীর লালপোল বেঁধেপল্লীতে জেলা প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৩

ফেনীর লালপোল বেঁধেপল্লীতে জেলা প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৩

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

সব বিভাগের খবর

ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন / ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বৈশাখী শোভাযাত্রায় মুখরিত শহর

ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন, বৈশাখী শোভাযাত্রায় মুখরিত শহর। বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পহেলা বৈশাখ। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়েছে আনন্দঘন বৈশাখী শোভাযাত্রা, যা শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয় । সকালে ফেনী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শুরু হয় শোভাযাত্রা। এতে অংশ নেন বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিল্পগোষ্ঠী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঐতিহ্যবাহী মুখোশ, ব্যানার, ফেস্টুন ও লোকজ সাজে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা, যারা সংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বৈশাখের ঐতিহ্য তুলে ধরেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে । দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল পান্তা ইলিশসহ ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের স্টল, লোকজ মেলা এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। শহরের সর্বস্তরের মানুষ এতে অংশ নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান । আয়োজকরা জানান, বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উৎসব আরও বড় পরিসরে উদযাপন করা হবে । সব মিলিয়ে, আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর বর্ণিল আয়োজনে ফেনীতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়, যা নতুন বছরের সূচনায় সবার মাঝে নতুন আশার বার্তা পৌঁছে দেয়। 

দিলারা হাফিজের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুর রহমান / দিলারা হাফিজের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুর রহমানসহ বিশিষ্টজনরা

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন এর সহধর্মিনী জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ডক্টর শফিকুর রহমান সহ অন্য অন্য বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা। জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন-এর সহধর্মিনী দিলারা হাফিজের জানাজা রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ । সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন । জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান । উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মরহুমার জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন তার মৃত্যুতে দেশ একজন সম্মানিত ও  গুণী ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে । 

জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিনীর দিলারা হাফিজের জানাজা সম্পূর্ণ / জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিনীর জানাজা সম্পন্ন, উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানসহ বিশিষ্টজনরা

জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিনীর জানাজা সম্পন্ন, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সহ বিশিষ্টজনেরা। জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর ( অব.) হাফিজ উদ্দিন এর সহধর্মিনী দিলারা হাফিজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। জানাজায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন । সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন । জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন  দিলারা হাফিজ একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তার মৃত্যুতে জাতি একজন গুণী মানুষকে হারালো । 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী মারা গিয়েছেন। / স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিনী দিলারা হাফিজ আর নেই

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিনী দিলারা হাফিজ আর নেই। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন এর সহধর্মিনী দিলারা হাফিজ আর নেই। আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় ১১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং রাজধানীর Combined Military Hospital এ চিকিৎসাধীন ছিলেন । দিলারা হাফিজের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলা উপজেলার বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বাহারুল। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন । 

ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিট / ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পণ

ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পণ। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটের উদ্যোগে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। বুধবার  ২৬ মার্চ সকালে ফেনী শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংগঠনের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের স্মরণ করেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি  সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় । সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস বাঙালি জাতির জন্য একটি গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তারা নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন । এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল । অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং দেশের অগ্রগতি কামনা করেন । 

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন / ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বৈশাখী শোভাযাত্রায় মুখরিত শহর

ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন, বৈশাখী শোভাযাত্রায় মুখরিত শহর। বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পহেলা বৈশাখ। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়েছে আনন্দঘন বৈশাখী শোভাযাত্রা, যা শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয় । সকালে ফেনী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শুরু হয় শোভাযাত্রা। এতে অংশ নেন বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিল্পগোষ্ঠী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঐতিহ্যবাহী মুখোশ, ব্যানার, ফেস্টুন ও লোকজ সাজে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা, যারা সংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বৈশাখের ঐতিহ্য তুলে ধরেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে । দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল পান্তা ইলিশসহ ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের স্টল, লোকজ মেলা এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। শহরের সর্বস্তরের মানুষ এতে অংশ নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান । আয়োজকরা জানান, বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উৎসব আরও বড় পরিসরে উদযাপন করা হবে । সব মিলিয়ে, আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর বর্ণিল আয়োজনে ফেনীতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়, যা নতুন বছরের সূচনায় সবার মাঝে নতুন আশার বার্তা পৌঁছে দেয়। 

দিলারা হাফিজের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুর রহমান / দিলারা হাফিজের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুর রহমানসহ বিশিষ্টজনরা

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন এর সহধর্মিনী জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ডক্টর শফিকুর রহমান সহ অন্য অন্য বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা। জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন-এর সহধর্মিনী দিলারা হাফিজের জানাজা রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ । সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন । জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান । উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মরহুমার জীবন ও কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন তার মৃত্যুতে দেশ একজন সম্মানিত ও  গুণী ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে । 

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি / জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি একলাফে লিটারে ২০ টাকা, এ কেমন দেশ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটে জনভোগান্তি চরমে। দেশে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ করে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পরও বাজারে তেলের সংকট কাটছে না, ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক পেট্রোল পাম্পে তেল না থাকায় চালকরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরছেন। এতে করে গণপরিবহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, ভোগান্তিতে পড়ছেন অফিসগামী মানুষ ও সাধারণ যাত্রীরা । সাধারণ জনগণের অভিযোগ, একদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি, অন্যদিকে সরবরাহ সংকট দুটি মিলেই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে, যা তাদের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে । বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই সংকট আরও তীব্র হতে পারে। তারা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন । 

আইন মেনে চলুন কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ুন। / তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানিতে অনুমোদন বাধ্যতামূলক, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আইন মেনে চলার আহ্বান। বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব রাসায়নিকের মধ্যে কিছু তফসিলভুক্ত রাসায়নিক রয়েছে, যেগুলো যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া আমদানি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করলে মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব রাসায়নিক আমদানির পূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন National Authority for Chemical Weapons Convention - NACWC এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন  CWC অনুযায়ী তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের নিবন্ধন, অনুমোদন এবং তদারকির মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, বিষক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের মতো ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রাসায়নিক আমদানিকারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ সংরক্ষণ, সঠিক পরিবহন ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কেমিক্যাল দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা । বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ সকল আমদানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক আমদানির পূর্বে যথাযথ অনুমোদন গ্রহণ করুন, আইন মেনে চলুন এবং কেমিক্যাল দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।

বাগেরহাটের শরণখোলায় ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসক / বাগেরহাটের শরণখোলায় ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা

বাগেরহাটের শরণখোলায় ভুয়া ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা সেবা । বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মাহমুদুল হাসান নামে এক ব্যক্তি ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং বৈধ সনদ না থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো বৈধ বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) নিবন্ধন নেই। তারপরও তিনি নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা প্রদান করছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে । সূত্র জানায়, এর আগেও একই অভিযোগে মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। হেলাল খান নামে এক ভুক্তভোগীর করা মামলায় তিনি ২১ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করেন। কিন্তু জেল থেকে বের হওয়ার পরও তার কার্যক্রম বন্ধ হয়নি; বরং আগের মতোই চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন । গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শরণখোলায় অভিযান চালিয়ে তার কার্যক্রমে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতি খুঁজে পায়। এরপরও প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে, গত ৪ মে ২০২৬ বিকেলে সাংবাদিকরা তার চেম্বারে গিয়ে বক্তব্য নিতে চাইলে এক ভিন্ন চিত্র সামনে আসে। সেখানে তার পক্ষ নিয়ে উপস্থিত হন এক রাজনৈতিক দলের নেতা। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ছত্রছায়ায় থেকেই তিনি এই অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।

ফেনীতে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি / ফেনীতে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজ ও সেনা ব্রিগেড স্থাপনের দাবি

ফেনীতে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সেনা ব্রিগেড স্থাপনের দাবি। প্রধানমন্ত্রীর সাথে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু সাক্ষাৎ করেন এবং এই বিষয়ে তুলে ধরেন। বুধবার ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন এ বি পার্টির প্রতিনিধি দল। দলের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে দলের নেতৃবৃন্দ সহ প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবন কার্যালয় সাক্ষাৎ করতে যান। দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে এই বিষয়ে তুলে ধরেন। সাক্ষাতে ফেনীতে নিজের নির্বাচনী এলাকার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি হস্তান্তর করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান। প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে নেতৃবৃন্দদের কথা শুনেন এবং সৌন্দর্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের প্রধান এবং আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ফেনীতে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। ফেনী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা। 

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।