অভিযোগ উঠেছে, নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকছে ভারতীয় হাজার হাজার গরু, ক্ষতির শঙ্কায় দেশীয় খামারিরা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েক হাজার গরু সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে আনা হচ্ছে। এসব গরু কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢোকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশীয় খামারিরা। তাদের দাবি, বছরের পর বছর কষ্ট করে গরু লালন-পালন করলেও অবৈধভাবে ভারতীয় গরু প্রবেশের কারণে বাজারে পশুর দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন দেশের খামারিরা।
স্থানীয় কয়েকজন খামারি জানান, খাবার, ওষুধ ও পরিচর্যার উচ্চ ব্যয় বহন করে তারা কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশু প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু সীমান্ত পথে কম দামে ভারতীয় গরু ঢুকলে দেশীয় পশুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ চক্র সীমান্তের বিভিন্ন অরক্ষিত এলাকা ব্যবহার করে রাতের আঁধারে এসব গরু দেশে প্রবেশ করাচ্ছে। পরে সেগুলো দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে সরবরাহ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে গরু প্রবেশ শুধু দেশীয় খামার শিল্পের জন্য হুমকি নয়, এটি সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজস্ব খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে অবৈধ পথে আনা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়ায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
খামারিরা দ্রুত সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, অবৈধ গরু প্রবেশ বন্ধ করা এবং দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে গরু প্রবেশের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
অভিযোগ উঠেছে, নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকছে ভারতীয় হাজার হাজার গরু, ক্ষতির শঙ্কায় দেশীয় খামারিরা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নওগাঁ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েক হাজার গরু সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে আনা হচ্ছে। এসব গরু কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢোকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশীয় খামারিরা। তাদের দাবি, বছরের পর বছর কষ্ট করে গরু লালন-পালন করলেও অবৈধভাবে ভারতীয় গরু প্রবেশের কারণে বাজারে পশুর দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন দেশের খামারিরা।
স্থানীয় কয়েকজন খামারি জানান, খাবার, ওষুধ ও পরিচর্যার উচ্চ ব্যয় বহন করে তারা কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশু প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু সীমান্ত পথে কম দামে ভারতীয় গরু ঢুকলে দেশীয় পশুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ চক্র সীমান্তের বিভিন্ন অরক্ষিত এলাকা ব্যবহার করে রাতের আঁধারে এসব গরু দেশে প্রবেশ করাচ্ছে। পরে সেগুলো দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে সরবরাহ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে গরু প্রবেশ শুধু দেশীয় খামার শিল্পের জন্য হুমকি নয়, এটি সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজস্ব খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে অবৈধ পথে আনা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়ায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
খামারিরা দ্রুত সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, অবৈধ গরু প্রবেশ বন্ধ করা এবং দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে গরু প্রবেশের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন