ফেনী প্রতিনিধি - ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় প্রতিবেশীর বাড়ির বাথরুম থেকে মো. সুমন (৩২) নামে এক ট্রাকচালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পূর্ব পাঠানগড় গ্রামের তোকাম আলী ফরায়েজী বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর গজারিয়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাকচালক এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন। স্থানীয় ও স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পূর্ব পাঠানগড় গ্রামের ফারজানা আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে সুমনের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। ঘটনার দিন সুমন ওই নারীর বাড়িতে যান। পরে বাড়ির বাথরুমের ভেতর তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
স্বজনদের অভিযোগ, ফারজানা আক্তারের সঙ্গে সম্পর্কের জের ধরেই সুমনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
খবর পেয়ে ছাগলনাইয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ছাগলনাইয়া থানার উপপরিদর্শক এসআই তৌফিকুল ইসলাম জানান ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফারজানা আক্তারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফেনী প্রতিনিধি - ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় প্রতিবেশীর বাড়ির বাথরুম থেকে মো. সুমন (৩২) নামে এক ট্রাকচালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পূর্ব পাঠানগড় গ্রামের তোকাম আলী ফরায়েজী বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর গজারিয়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাকচালক এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন। স্থানীয় ও স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পূর্ব পাঠানগড় গ্রামের ফারজানা আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে সুমনের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। ঘটনার দিন সুমন ওই নারীর বাড়িতে যান। পরে বাড়ির বাথরুমের ভেতর তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
স্বজনদের অভিযোগ, ফারজানা আক্তারের সঙ্গে সম্পর্কের জের ধরেই সুমনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
খবর পেয়ে ছাগলনাইয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ছাগলনাইয়া থানার উপপরিদর্শক এসআই তৌফিকুল ইসলাম জানান ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফারজানা আক্তারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন