চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে প্রশিক্ষণ চলাকালে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে পিয়াসের মরদেহ নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে বাড়ির সামনের মসজিদ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয় ।
পিয়াস ছিলেন কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালিপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে। পরিবারের তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন তিনি। স্বজন ও এলাকাবাসীর কাছে শান্ত, ভদ্র ও অমায়িক স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই সেনাসদস্য ।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে পিয়াসসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় একজন সেনা কর্মকর্তাও গুরুতর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়।
পিয়াসের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। পরিবারের নতুন সদস্যকে ঘিরে যখন আনন্দের মুহূর্ত চলছিল, তখনই প্রশিক্ষণস্থল থেকে আসে তার মৃত্যুর খবর। সদ্যজাত সন্তানকে রেখে তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
দেশের সেবায় নিয়োজিত অবস্থায় পিয়াসের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকাহত তার পরিবার ও এলাকাবাসী। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তরুণ এই সেনাসদস্যের জীবনের শেষ বিদায়।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে প্রশিক্ষণ চলাকালে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে পিয়াসের মরদেহ নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে বাড়ির সামনের মসজিদ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয় ।
পিয়াস ছিলেন কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালিপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে। পরিবারের তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন তিনি। স্বজন ও এলাকাবাসীর কাছে শান্ত, ভদ্র ও অমায়িক স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই সেনাসদস্য ।
গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে পিয়াসসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় একজন সেনা কর্মকর্তাও গুরুতর আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়।
পিয়াসের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। পরিবারের নতুন সদস্যকে ঘিরে যখন আনন্দের মুহূর্ত চলছিল, তখনই প্রশিক্ষণস্থল থেকে আসে তার মৃত্যুর খবর। সদ্যজাত সন্তানকে রেখে তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
দেশের সেবায় নিয়োজিত অবস্থায় পিয়াসের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকাহত তার পরিবার ও এলাকাবাসী। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তরুণ এই সেনাসদস্যের জীবনের শেষ বিদায়।

আপনার মতামত লিখুন