ঢাকা    রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বি এস নিউজ24

ডিলার পয়েন্ট থেকে ইচ্ছামত বাড়াচ্ছে গ্যাসের দাম, দেখার মত কেউ নেই

ফেনীতে লাগামছাড়া বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, দেখার কেউ নেই



ফেনীতে লাগামছাড়া বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, দেখার কেউ নেই
এলপিজি গ্যাসের দাম যেন লাগাম ছাড়া বেড়েছে

ফেনীতে লাগামছাড়া বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, দেখার কেউ নেই। 

ফেনীতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে ফেনীর বিভিন্ন বাজারে এই সিলিন্ডার কোথাও কোথাও ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরকার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে বাজারদরের এই ব্যবধানের কারণে একজন ভোক্তাকে সিলিন্ডারপ্রতি সর্বোচ্চ প্রায় ২১৫ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে। রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর এতে বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, এলপিজি গ্যাসের দাম নির্ধারণে সরকারি সিদ্ধান্ত থাকলেও ফেনীর বাজারে তা কার্যকর হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যাচ্ছে না। ফলে ডিলার ও ব্যবসায়ীদের একটি অংশ নিজেদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

অন্যদিকে খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিলার বা পাইকারি পর্যায় থেকেই তাদের বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। ফলে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগের কারণে তারাও এক ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, ডলারের বিনিময় হারসহ বিভিন্ন কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যয় বাড়তে পারে। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা প্রয়োজন।

ভোক্তাদের প্রশ্ন, সরকার যখন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে, তখন বাজারে একই সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দামে কীভাবে বিক্রি হচ্ছে? নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে কি না, তা তদারকির দায়িত্ব কার এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

স্থানীয় ভোক্তারা দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করে ডিলার, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের ক্রয়-বিক্রয়মূল্য যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফেনীতে এলপিজি গ্যাসের দাম নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে তৈরি হওয়া অসন্তোষ দূর করতে দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো এবং নির্ধারিত মূল্যে ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

Image

বিষয় : এলপিজি গ্যাসের ডিলাররা প্রতিদিন লাগাম ছাড়া দাম বাড়াচ্ছে ফেনীতে

আপনার মতামত লিখুন

বি এস নিউজ24

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফেনীতে লাগামছাড়া বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, দেখার কেউ নেই

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ফেনীতে লাগামছাড়া বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, দেখার কেউ নেই। 

ফেনীতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে ফেনীর বিভিন্ন বাজারে এই সিলিন্ডার কোথাও কোথাও ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরকার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে বাজারদরের এই ব্যবধানের কারণে একজন ভোক্তাকে সিলিন্ডারপ্রতি সর্বোচ্চ প্রায় ২১৫ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে। রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর এতে বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, এলপিজি গ্যাসের দাম নির্ধারণে সরকারি সিদ্ধান্ত থাকলেও ফেনীর বাজারে তা কার্যকর হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যাচ্ছে না। ফলে ডিলার ও ব্যবসায়ীদের একটি অংশ নিজেদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

অন্যদিকে খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিলার বা পাইকারি পর্যায় থেকেই তাদের বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। ফলে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগের কারণে তারাও এক ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, ডলারের বিনিময় হারসহ বিভিন্ন কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যয় বাড়তে পারে। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা প্রয়োজন।

ভোক্তাদের প্রশ্ন, সরকার যখন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে, তখন বাজারে একই সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দামে কীভাবে বিক্রি হচ্ছে? নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে কি না, তা তদারকির দায়িত্ব কার এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

স্থানীয় ভোক্তারা দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করে ডিলার, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের ক্রয়-বিক্রয়মূল্য যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফেনীতে এলপিজি গ্যাসের দাম নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে তৈরি হওয়া অসন্তোষ দূর করতে দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো এবং নির্ধারিত মূল্যে ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।


বি এস নিউজ24

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ শামীম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ বি এস নিউজ24