বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগে নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি পরীক্ষাগারের ভেতরে প্রবেশ করে খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন।
দেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, খাদ্যপণ্যের গুণগত মান যাচাই এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব পরীক্ষাগারের মাধ্যমে বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল এলাকায় খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে অনিরাপদ ও ভেজাল খাদ্য শনাক্তকরণ, খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক বিধিবিধান বাস্তবায়ন এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হতে পারে।
খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে দেশের আটটি মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম দেশের ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরীক্ষাগার কার্যক্রমে যুক্ত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্যপণ্যের মান যাচাই ও ভেজালবিরোধী তদারকি আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং নির্ধারিত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগও রয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে নিরাপদ খাদ্য নির্বাচন ও গ্রহণ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়তা করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শন খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা পর্যালোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে ।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগে নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি পরীক্ষাগারের ভেতরে প্রবেশ করে খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন।
দেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, খাদ্যপণ্যের গুণগত মান যাচাই এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব পরীক্ষাগারের মাধ্যমে বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল এলাকায় খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে অনিরাপদ ও ভেজাল খাদ্য শনাক্তকরণ, খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক বিধিবিধান বাস্তবায়ন এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হতে পারে।
খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে দেশের আটটি মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম দেশের ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরীক্ষাগার কার্যক্রমে যুক্ত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্যপণ্যের মান যাচাই ও ভেজালবিরোধী তদারকি আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং নির্ধারিত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগও রয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে নিরাপদ খাদ্য নির্বাচন ও গ্রহণ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়তা করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শন খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা পর্যালোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে ।

আপনার মতামত লিখুন