মোহাম্মদ শামীম হোসেন, ফেনী।
ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় একটি সিএনজির পেছনে আগুন লাগার পর সেটি ফেলে পালিয়ে যান চালক। পরে ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসা প্রত্যক্ষদর্শীরা সিএনজির ভেতরে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ দেখতে পান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ফেনী-থ ১১৩৩০৭ নম্বরের সিএনজিটি ফেনী শহরের রেলগেট এলাকা থেকে নাজির রোডের দিকে যাচ্ছিল। পথে সিএনজিটির পেছনের অংশে আগুন লাগলে চালক সেটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে সিএনজির ভেতরে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ দেখতে পান। তবে উদ্ধার হওয়া মদের সঠিক পরিমাণ, ব্র্যান্ড ও ধরন সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। একই সঙ্গে সিএনজিতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সিএনজিটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও মদ পরিবহনের বিষয়টি সামনে আসে। চালকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না, কিংবা তাকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় সিএনজিতে বিদেশি মদ পরিবহনের সঙ্গে কারা জড়িত এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বিষয় : ফেনীর রেলগেটে বিদেশী মদ জব্দ

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
মোহাম্মদ শামীম হোসেন, ফেনী।
ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় একটি সিএনজির পেছনে আগুন লাগার পর সেটি ফেলে পালিয়ে যান চালক। পরে ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসা প্রত্যক্ষদর্শীরা সিএনজির ভেতরে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ দেখতে পান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ফেনী-থ ১১৩৩০৭ নম্বরের সিএনজিটি ফেনী শহরের রেলগেট এলাকা থেকে নাজির রোডের দিকে যাচ্ছিল। পথে সিএনজিটির পেছনের অংশে আগুন লাগলে চালক সেটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে সিএনজির ভেতরে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ দেখতে পান। তবে উদ্ধার হওয়া মদের সঠিক পরিমাণ, ব্র্যান্ড ও ধরন সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। একই সঙ্গে সিএনজিতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সিএনজিটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও মদ পরিবহনের বিষয়টি সামনে আসে। চালকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না, কিংবা তাকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় সিএনজিতে বিদেশি মদ পরিবহনের সঙ্গে কারা জড়িত এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন