ঈদের ছুটি রূপ নিয়েছে সড়ক দুর্ঘটনার মিছিলে। গত ৩ দিনে অন্তত ২৫ জনের মত নিহত হয়েছে সারা বাংলাদেশে।
ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন ছুটি যেন দিন দিন সড়ক দুর্ঘটনার শোকে ঢেকে যাচ্ছে। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঘরে ফেরা কিংবা ঘুরতে যাওয়ার পথে ঘটে যাওয়া একের পর এক দুর্ঘটনায় গত তিন দিনে সারা দেশে আনুমানিক ২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক ।
বিশ্লেষণে দেখা যায় ঈদের সময় সড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে যায় । অতিরিক্ত যাত্রী বহন দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো চালকদের ক্লান্তি এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে মহাসড়কগুলোতে বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা বেশি ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায় অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে গভীর রাত কিংবা ভোরের দিকে যখন চালকেরা দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং অদক্ষ চালকের কারণেও দুর্ঘটনা ঘটছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি ঈদের সময় বিশেষ নজরদারি যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা ।
এদিকে প্রতিটি দুর্ঘটনার পর স্বজনহারাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে চারপাশের পরিবেশ। ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হচ্ছে শোকে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সকলের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এই দুর্ঘটনার মিছিল থামাতে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত।
বিষয় : সড়ক দুর্ঘটনার মিছিল

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
ঈদের ছুটি রূপ নিয়েছে সড়ক দুর্ঘটনার মিছিলে। গত ৩ দিনে অন্তত ২৫ জনের মত নিহত হয়েছে সারা বাংলাদেশে।
ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন ছুটি যেন দিন দিন সড়ক দুর্ঘটনার শোকে ঢেকে যাচ্ছে। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঘরে ফেরা কিংবা ঘুরতে যাওয়ার পথে ঘটে যাওয়া একের পর এক দুর্ঘটনায় গত তিন দিনে সারা দেশে আনুমানিক ২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক ।
বিশ্লেষণে দেখা যায় ঈদের সময় সড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে যায় । অতিরিক্ত যাত্রী বহন দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো চালকদের ক্লান্তি এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে মহাসড়কগুলোতে বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা বেশি ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায় অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে গভীর রাত কিংবা ভোরের দিকে যখন চালকেরা দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং অদক্ষ চালকের কারণেও দুর্ঘটনা ঘটছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি ঈদের সময় বিশেষ নজরদারি যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা ।
এদিকে প্রতিটি দুর্ঘটনার পর স্বজনহারাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে চারপাশের পরিবেশ। ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হচ্ছে শোকে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সকলের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এই দুর্ঘটনার মিছিল থামাতে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত।

আপনার মতামত লিখুন