নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলায় চরহাজারী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড ভয়াবহ নদীভাঙন , স্থানীয়দের হাহাকার আত্মনাত দেখার মত কেউ নেই।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা-এ ভয়াবহ নদীভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীর প্রবল স্রোতের তোড়ে প্রতিনিয়ত ভেঙে পড়ছে নদীর দুই তীরের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এমনকি কবরস্থানও বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ফসলি জমি নদীতে বিলীন হওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে ।
এলাকাবাসীরা জানান, নদীভাঙনের কারণে শুধু বসতবাড়িই নয়, পূর্বপুরুষদের কবরস্থানও নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। অনেকেই চোখের সামনে নিজের ভিটেমাটি হারিয়ে অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকছেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে তারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলায় চরহাজারী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড ভয়াবহ নদীভাঙন , স্থানীয়দের হাহাকার আত্মনাত দেখার মত কেউ নেই।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা-এ ভয়াবহ নদীভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীর প্রবল স্রোতের তোড়ে প্রতিনিয়ত ভেঙে পড়ছে নদীর দুই তীরের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এমনকি কবরস্থানও বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ফসলি জমি নদীতে বিলীন হওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে ।
এলাকাবাসীরা জানান, নদীভাঙনের কারণে শুধু বসতবাড়িই নয়, পূর্বপুরুষদের কবরস্থানও নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। অনেকেই চোখের সামনে নিজের ভিটেমাটি হারিয়ে অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকছেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে তারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন