খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, তোলপাড় বোয়ালমারীতে
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, খাল পুনঃখননের নামে খালের দুই পাশের শত শত সরকারি গাছ নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান খাল খনন প্রকল্পের আওতায় খালের পাড়ে থাকা বনবিভাগের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব গাছ কাটার আগে বনবিভাগের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি সম্পদ রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, বহু বছরের পুরোনো বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রাতের আঁধারে কিংবা দিনের বেলায় শ্রমিক দিয়ে কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে খালের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়েছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, খাল খনন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও সরকারি গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বনবিভাগের অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, তোলপাড় বোয়ালমারীতে
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় খাল খননের আড়ালে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, খাল পুনঃখননের নামে খালের দুই পাশের শত শত সরকারি গাছ নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান খাল খনন প্রকল্পের আওতায় খালের পাড়ে থাকা বনবিভাগের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব গাছ কাটার আগে বনবিভাগের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি সম্পদ রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, বহু বছরের পুরোনো বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রাতের আঁধারে কিংবা দিনের বেলায় শ্রমিক দিয়ে কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে খালের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়েছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, উন্নয়নের নামে পরিবেশ ধ্বংস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, খাল খনন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও সরকারি গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বনবিভাগের অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন