ফেনীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ নামে প্রকল্পটি ফেনীর দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেন, ফেনীর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ, নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনঃখনন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং সেচ অবকাঠামো সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফেনী সদর, ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে সুরক্ষা পাবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদীভাঙন রোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ফেনীর বিভিন্ন নদীর বাঁধ ও তীর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ও নদীতীর পুনর্বাসনের পাশাপাশি মুহুরী ও কহুয়া নদীর পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফেনীর পানি ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি উন্নয়নে এ প্রকল্পকে বড় ধরনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : ফেনীর জন্য প্রকল্প অনুমোদন

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ফেনীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ নামে প্রকল্পটি ফেনীর দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেন, ফেনীর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ, নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনঃখনন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং সেচ অবকাঠামো সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফেনী সদর, ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে সুরক্ষা পাবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদীভাঙন রোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ফেনীর বিভিন্ন নদীর বাঁধ ও তীর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ও নদীতীর পুনর্বাসনের পাশাপাশি মুহুরী ও কহুয়া নদীর পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফেনীর পানি ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি উন্নয়নে এ প্রকল্পকে বড় ধরনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন