জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো ধরনের পরিবহন ভাড়া বা যাতায়াত ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। ফলে নতুন ভাড়ার সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত ভাড়াই কার্যকর রয়েছে।
জ্বালানি তেলের নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার পর পরিবহন খাতে বাড়তি ব্যয়ের বিষয়টি সামনে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে ভাড়া সমন্বয়ের একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরসহ শহরাঞ্চলের বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তবে এটি এখনো কেবল প্রস্তাব পর্যায়ে রয়েছে।
বিআরটিএর প্রস্তাব সরকার অনুমোদন করে নতুন ভাড়ার প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত পরিবহন মালিকদের বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও এর প্রভাবে বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহনের ভাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। এ কারণে ভাড়া সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে নতুন ভাড়া কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সরকারি নির্দেশনাই প্রযোজ্য হবে।
এদিকে নতুন ভাড়ার সিদ্ধান্ত না আসায় যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া না দেওয়ার বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে।
সুতরাং, জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সরকারিভাবে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। বিআরটিএর ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকলেও তা এখনো সরকারি অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় রয়েছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো ধরনের পরিবহন ভাড়া বা যাতায়াত ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। ফলে নতুন ভাড়ার সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত ভাড়াই কার্যকর রয়েছে।
জ্বালানি তেলের নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার পর পরিবহন খাতে বাড়তি ব্যয়ের বিষয়টি সামনে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে ভাড়া সমন্বয়ের একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরসহ শহরাঞ্চলের বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তবে এটি এখনো কেবল প্রস্তাব পর্যায়ে রয়েছে।
বিআরটিএর প্রস্তাব সরকার অনুমোদন করে নতুন ভাড়ার প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত পরিবহন মালিকদের বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও এর প্রভাবে বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহনের ভাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। এ কারণে ভাড়া সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে নতুন ভাড়া কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সরকারি নির্দেশনাই প্রযোজ্য হবে।
এদিকে নতুন ভাড়ার সিদ্ধান্ত না আসায় যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া না দেওয়ার বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে।
সুতরাং, জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সরকারিভাবে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। বিআরটিএর ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকলেও তা এখনো সরকারি অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন