দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।
দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।
প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ফেনীর মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সড়কপথে ফেনীতে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম ফেনী সফর। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালে ছাগলনাইয়ায় একটি স্মৃতিবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফেনী এসেছিলেন তিনি।
দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের শুরুতেই পরশুরাম উপজেলার খোয়াইঘাট-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন করা হবে।
প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং খালখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিন ধরে মুহুরী নদীর ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
দিনের শেষভাগে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে। ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফর ঘিরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

আপনার মতামত লিখুন