ফেনীতে সংবাদ সংগ্রহকালে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দৈনিক আমার সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে তার ওপর হামলা, মোবাইল ফোন ভাঙচুর, ভিডিও মুছে ফেলা এবং স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর তার পরিচিত গ্রাহক জাফর ইকবালের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে কথা বলতে তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয় সংলগ্ন অভিযোগ কেন্দ্রে যান।
তার অভিযোগ, সেখানে কর্তব্যরত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ফেনী কার্যালয়ের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শংকর দাসের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শংকর দাসের নেতৃত্বে সমিতির স্টোরকিপার কামরুল হাসান ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. বায়েজিদ হোসেন শাহ তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাজিম উদ্দিনের দাবি, হামলার সময় তার মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয় এবং মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলা হয়। একই সময় তার গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার পর তিনি ফেনী মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নাজিম উদ্দিন। পরে তিনি বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, একজন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের সময় এ ধরনের হামলার শিকার হলে তা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্যও উদ্বেগের। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভুক্তভোগী গ্রাহক জাফর ইকবালসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীতে সংবাদ সংগ্রহকালে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দৈনিক আমার সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে তার ওপর হামলা, মোবাইল ফোন ভাঙচুর, ভিডিও মুছে ফেলা এবং স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর তার পরিচিত গ্রাহক জাফর ইকবালের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে কথা বলতে তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয় সংলগ্ন অভিযোগ কেন্দ্রে যান।
তার অভিযোগ, সেখানে কর্তব্যরত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ফেনী কার্যালয়ের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শংকর দাসের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শংকর দাসের নেতৃত্বে সমিতির স্টোরকিপার কামরুল হাসান ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. বায়েজিদ হোসেন শাহ তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাজিম উদ্দিনের দাবি, হামলার সময় তার মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয় এবং মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলা হয়। একই সময় তার গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার পর তিনি ফেনী মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নাজিম উদ্দিন। পরে তিনি বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, একজন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের সময় এ ধরনের হামলার শিকার হলে তা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্যও উদ্বেগের। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভুক্তভোগী গ্রাহক জাফর ইকবালসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন